বর্তমান প্রজন্মের অনেক তরুণ জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে মানসিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছে। পড়াশোনা ও পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে দুশ্চিন্তা, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং নিজের লক্ষ্য পূরণের চাপ তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। এর পাশাপাশি পরিবারের চাহিদা ও প্রত্যাশা, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তাভাবনাও অনেক তরুণের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও একটি বড় কারণ। অন্যদের সাফল্য বা জীবনযাত্রার সঙ্গে নিজের তুলনা করতে গিয়ে অনেক তরুণ হতাশ হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি দীর্ঘ সময় মোবাইল বা ইন্টারনেট ব্যবহার, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া এবং নিয়মিত শরীরচর্চার অভাবও স্ট্রেস বাড়াতে পারে। অনেক সময় বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে না পারা এবং একাকীত্বের অনুভূতিও মানসিক চাপের কারণ হয়। এসব সমস্যা কমাতে সময়মতো বিশ্রাম নেওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।